ধন্যবাদ খুবই দরকারি একটি প্রশ্ন। সেহেরী খাওয়া হচ্ছে সুন্নত আর রোজা পালন করা ফরজ্।কোন একটি সুন্নতের কারনে কোন ফরজ ইবাদত বাদ দেয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত করা যেতে পারে না। আর রোজার কোন মৌখিক নিয়ত আদতে নেই, মনে মনে যে যে প্রস্তুতি নেয়া হয় যে কোন ধর্মীয় কাজের জন্যে সেটাই নিয়ত। এটা রোজার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তাই কেউ যদি অনিচ্ছাকৃত কারনে সেহেরী খেতে সক্ষম না হয়, এমন কি এক ফোঁটা পানি পান করার সুযোগ না পায় তবুও তার ফরজ রোজা চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। তবে আল্লাহ মানুষের অনিচ্ছাকৃত ত্রুটিগুলো ক্ষমা করেন।
যদি কেউ রোজা রাখতে অক্ষম অর্থাৎ অসুস্থ হয়ে গিয়ে সব ধরনের ফরজ নামাজ ছেড়ে দেয়ার আশংকা থাকে কিংবা দুরবর্তী কোন সফরে থাকে সে ক্ষেত্রে সে রোজা ভাঙতে পারবে কিন্তু কেউ যদি এক গ্লাস পানি পান করারও সুযোগ পায় তবে সেই পানিটুকুই তার সেহেরী হিসেবে গণ্য হবে আর তার আমল নামায় একটি সুন্নত লেখা হবে। সেহেরী খাওয়া হয়নি এই অজুহাতে রোজা পালন থেকে বিরত থাকা ফরজের বরখেলাপ যেটা কবিরাহ গুনাহ।
Allah knows All.
আসসালাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ (صلى الله عليه وعلى آله وسلم )
শনিবার, ১৭ জুন, ২০১৭
সেহরী না খেলে কি রোজা ভেঙে যায়?
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
Who was the Father of ibrahim? ইব্রাহীম (আ) এর পিতা কে ছিলেন?
The Prophet Ibrahim (may Allah’s peace and blessings descend upon our Prophet Muhammad and upon him and both their families) was the son of ...
-
Explaination of নূর-এ-মুজাসসাম হযরত মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) Written By (Masum Billah Sunny) PROOF 1:: সুরা নূর–৩৫ -আয়াত...
-
কিতাব : আন নেয়ামাতুল কুবরা বিখ্যাত মুহাদ্দিস : ইবনে হাজর হায়সামী (রহ) 1. 2. 3.
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন